যেখানে কাঠামোগত নিরাপত্তা শিল্পের অগ্রাধিকার হয়েছে
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসে পড়ে সাভারে, আর আশুলিয়া ও ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে আছে দেশের সবচেয়ে বড় পোশাক ও নিটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলোর কয়েকটি। এরপর থেকে খুব কম এলাকায় এত বেশি কাঠামোগত পরিদর্শন ও প্রতিকার হয়েছে — এবং এখানকার ক্রেতারা সর্বোচ্চ মানের প্রমাণ প্রত্যাশা করেন।
এখানকার প্রকল্পে যা থাকে
- খোলা কারেক্টিভ অ্যাকশন আইটেমসহ কারখানার ফলো-আপ মূল্যায়ন
- আগের পরিদর্শনে দুর্বল পাওয়া কলাম ও স্ল্যাবের প্রতিকার
- স্টোরেজ ফ্লোরের জন্য লোড প্ল্যান ও লোড ব্যবস্থাপনা
- কারখানা কম্পাউন্ডের ভেতরে নতুন ভবন ও সম্প্রসারণ
মাটির অবস্থা
সাভার মধুপুর গড়ের কিনারায়, যেখানে মাটি সাধারণত শক্ত; অন্যদিকে আশুলিয়ার বড় অংশ নিচু জমি, যা মৌসুমি বন্যায় ডোবে এবং ভরাট করে উঁচু করা হয়েছে। ভরাট জমিতে ফাউন্ডেশনের জন্য অনুসন্ধান লাগে, আর প্রায়ই পাইল।
সাভার ও আশুলিয়ায় আমাদের সেবা
সাভার ও আশুলিয়া থেকে আসা প্রশ্ন
আমাদের কারখানায় আগে পরিদর্শন হয়েছে। নতুন মূল্যায়ন কি লাগবে?
সবসময় নয়। আমরা আগে পুরোনো পর্যবেক্ষণগুলো পর্যালোচনা করি, তারপর খোলা বিষয়গুলো নিষ্পত্তি বা নতুন পরিবর্তনের জন্য যতটুকু দরকার কেবল ততটুকুই পরীক্ষা করি।
আশুলিয়ার ভরাট জমি কি কারখানার জন্য উপযুক্ত?
সঠিক ফাউন্ডেশন হলে হতে পারে। মাটি পরীক্ষায় ভরাটের গভীরতা ও নিচের নরম স্তর বোঝা যায়, আর সাধারণত পাইল ফাউন্ডেশনের দিকে ইঙ্গিত দেয়।