ঢাকার ভবনগুলো
ঢাকা বেড়েছে তার নির্মাণ নিয়ন্ত্রণের চেয়ে দ্রুত। মোহাম্মদপুর, মিরপুর, পুরান ঢাকা, বাড্ডা ও যাত্রাবাড়ীর বড় অংশ তৈরি হয়েছে BNBC 2020-এর আগে; অনেক ভবনে বছরের পর বছর তলা যোগ হয়েছে, আর নিচতলা প্রায়ই পার্কিং বা দোকানের জন্য খোলা রাখা হয়। এই সফট স্টোরি ও অপরিকল্পিত সম্প্রসারণই শহরে আমাদের দেখা সবচেয়ে সাধারণ দুর্বলতা।
মাটির অবস্থা
শহরের একাংশ পুরোনো মধুপুর গড়ের ওপর, আর একাংশ ড্রেজিংয়ের বালু দিয়ে ভরাট করা নিচু জমিতে — বিশেষ করে পূর্ব দিকে এবং বসুন্ধরা, পূর্বাচল, উত্তরা ও কেরানীগঞ্জের প্রান্তে। ভরাট জমি বছরের পর বছর দেবে যেতে পারে, সেখানে পাইল বা মাটির উন্নয়ন লাগতে পারে। ঢাকা BNBC 2020-এর ভূমিকম্প জোন ২-এ।
ঢাকায় আমরা যা বেশি করি
- তলা বাড়ানোর জন্য সক্ষমতা যাচাই ও মজবুতকরণ
- হাসপাতাল, স্কুল ও অফিস ভবনের স্ট্রাকচারাল অডিট
- সফট স্টোরি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের সিসমিক রেট্রোফিটিং
- ব্যবহার পরিবর্তনের মূল্যায়ন, যেমন আবাসিক ভবনকে অফিস বা গার্মেন্টস ইউনিটে রূপান্তর
অনুমোদন
ঢাকায় ভবনের অনুমোদন দেয় রাজউক। তলা বাড়ানো ও ব্যবহার পরিবর্তনে কাঠামোগত যৌক্তিকতা লাগে; আমাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন ও মজবুতকরণের ড্রয়িং আপনার স্থপতির আবেদনে সহায়তা করে।
ঢাকা থেকে আসা প্রশ্ন
ঢাকায় কি আমার ভবনে তলা যোগ করতে পারি?
হয়তো পারেন, তবে কেবল বিদ্যমান কলাম ও ফাউন্ডেশনের সক্ষমতা যাচাইয়ের পর এবং রাজউকের অনুমোদন নিয়ে। ঢাকার অনেক ভবনে বাড়তি তলা নেওয়ার আগে মজবুতকরণ লাগে।
ঢাকা কোন ভূমিকম্প জোনে?
BNBC 2020 অনুযায়ী ঢাকা জোন ২-এ। আপনার প্লটের মাটির অবস্থাও নকশার বলকে প্রভাবিত করে, তাই মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ।